পুশ ওয়েভ এয়ারেটরকে পুকুরের প্রাণ হিসাবে অভিহিত করা হয় । অস্বাস্থ্যকর , কাদাযুক্ত ও ময়লাযুক্ত পুকুরের পানিকে স্বাস্থ্যকর করতে এবং তলদেশের ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাস দূর করে কাঁদার স্তর কমিয়ে দিতে অত্যন্ত কার্যকারী ভুমিকা পালন করে । এটি ব্যবহারে ঘোলা পানিকে স্বচ্ছ করে অক্সিজেন স্বল্পতা দূর করে , ফলে মাছের উৎপাদন বহুগুনে বৃদ্ধি পায় । ০১ হর্স ও ০২ হর্স এই দুই ধরনের মোটর রয়েছে।
সংযোজন ও ব্যবহার বিধি
১. বিদ্যুৎ সংয়োগ স্থল হতে মোটর পর্যন্ত দূরত্ব অনুযায়ী প্রয়োজন অনুসারে ২.৫ আর এম হতে ৬.০ আর এম বিশুদ্ধ তামার তার ব্যবহার করুন । সংযোগ স্থলে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমপক্ষে ২২০ ভোল্ট হতে হবে । মোটর অন -অফ করার জন্য ভালো মানের ডিপি ১৬/২০সি এমসিবি সুইচ ব্যবহার করুন ।
২. মেশিন সংযোজন শেষ হলে গিয়ার বক্সে ১.৫ থেকে ২ লিটার ইপি -৯০ গ্রেডের গিয়ার ওয়েল দ্বারা পূর্ণ করুন ।
৩. প্রয়োজনীয় সংখ্যক খুঁটি ও নাইলনের দড়ি দ্বারা মেশিনের হ্যান্ডেল শক্ত করে বেঁধে রাখুন এবং বৈদ্যুতিক তার যেন পানিতে স্পর্শ না করে সেই জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করুন ।
৪. আবহাওয়া অনুযায়ী রাত ১২ টা হতে রাত ২ টার মধ্যে এয়ারেটর চালু করে ভোর ৫ টা হতে সকাল ৬ টার মধ্যে বন্ধ করুন এবং দুপুরে প্রখর রৌদ্রে কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টা চালু রাখুন । প্রতিদিন সময়মত মোটর চালু – বন্ধ করার জন্য অটোমেটিক ডিজিটাল টাইমার ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন ।
৫. প্রতি ৪০০-৫০০ ঘণ্টা চালার পর প্রয়োজনীয় গিয়ার অয়েল বক্স ঢেলে দিন এবং ১৮০০-২০০০ ঘণ্টা চলার পর সার্ভিসিং করে পুরাতন গিয়ার অয়েল সম্পূর্ণ ফেলে দিয়ে নতুন করে পরিপূর্ণ করুন ।
সতর্কতা
১. বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার পূর্বে তারের সংযোগস্থলে ভাল ভাবে পরীক্ষা করে এয়ারেটর পানিতে নামিয়ে চালু করুন ।
২. নির্দেশিকা অনুযায়ী গিয়ার অয়েল না ঢেলে মোটর চালু করা হতে বিরত থাকুন । নয়তোবা গিয়ারবক্স নষ্ট হয়ে যাওয়া সম্ভবনা আছে ।
৩. এয়ারেটর চালু অবস্থায় পানিতে নামা বা স্পর্শ করা হতে বিরত থাকুন ।




Reviews
There are no reviews yet.