প্যাডেল হূইল (২-৬ বিশিষ্ট ) এয়ারেটর অল্প গভীরতা ও লম্বা আকারের পুকুরের জন্য বেশি উপযোগী । এটি ব্যাবহারে পুকুরে মৎস্য ঘেরে স্রতের সৃষ্টি করে মাছকে দ্রুত বর্ধনে সাহায্য করে। চিংড়ী ও ক্যাটফিস চাষে এই মডেল খুব কার্জকারি ভূমিকা পালন করে। এই মডেল পুকুরের পাড় সুরক্ষিত রাখে এবং পুকুরে আই . পি . আর. এস ও বট মল্কিন পদ্ধতিতে মাছ চাষের কার্জকারি পরিবেশ সৃষ্টি করে। ০.১ হর্স (দুই পাখা) ০২ হর্স ( চার পাখা) ও ০৩ হর্স ( ছয় পাখা) এই তিন ধরনের মোটর রয়েছে।
সংযোজন ও ব্যবহার বিধি
১. বিদ্যুৎ সংয়োগ স্থল হতে মোটর পর্যন্ত দূরত্ব অনুযায়ী প্রয়োজন অনুসারে ২.৫ আর এম হতে ৬.০ আর এম বিশুদ্ধ তামার তার ব্যবহার করুন । সংযোগ স্থলে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমপক্ষে ২২০ ভোল্ট হতে হবে । মোটর অন -অফ করার জন্য ভালো মানের ডিপি ১৬/২০/৩০ সি এমসিবি সুইচ ব্যবহার করুন ।
২. মেশিন সংযোজন শেষ হলে গিয়ার বক্সে ২ থেকে ২.৫ লিটার ইপি -৯০ গ্রেডের গিয়ার ওয়েল দ্বারা পূর্ণ করুন ।
৩. প্রয়োজনীয় সংখ্যক খুঁটি ও নাইলনের দড়ি দ্বারা মেশিনের হ্যান্ডেল শক্ত করে বেঁধে রাখুন এবং বৈদ্যুতিক তার যেন পানিতে স্পর্শ না করে সেই জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করুন ।
৪. আবহাওয়া অনুযায়ী রাত ১২ টা হতে রাত ২ টার মধ্যে এয়ারেটর চালু করে ভোর ৫ টা হতে সকাল ৬ টার মধ্যে বন্ধ করুন এবং দুপুরে প্রখর রৌদ্রে কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টা চালু রাখুন । প্রতিদিন সময়মত মোটর চালু – বন্ধ করার জন্য অটোমেটিক ডিজিটাল টাইমার ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন ।
৫. প্রতি ৪০০-৫০০ ঘণ্টা চালার পর প্রয়োজনীয় গিয়ার অয়েল বক্স ঢেলে দিন এবং ১৮০০-২০০০ ঘণ্টা চলার পর সার্ভিসিং করে পুরাতন গিয়ার অয়েল সম্পূর্ণ ফেলে দিয়ে নতুন করে পরিপূর্ণ করুন ।
সতর্কতা
১. বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার পূর্বে তারের সংযোগস্থলে ভাল ভাবে পরীক্ষা করে এয়ারেটর পানিতে নামিয়ে চালু করুন ।
২. নির্দেশিকা অনুযায়ী গিয়ার অয়েল না ঢেলে মোটর চালু করা হতে বিরত থাকুন । নয়তোবা গিয়ারবক্স নষ্ট হয়ে যাওয়া সম্ভবনা আছে ।
৩. এয়ারেটর চালু অবস্থায় পানিতে নামা বা স্পর্শ করা হতে বিরত থাকুন ।





Reviews
There are no reviews yet.